নির্দেশিকা
আবেদন করা থেকে কাগজ হাতে পাওয়া পর্যন্ত পুরো নিয়মটি ধাপে ধাপে লেখা আছে।
কীভাবে আবেদন করবেন
-
১
অফিসে গিয়ে বলুন কী দরকার
কোন সেবাটি লাগবে, কার কাছে পাঠাতে হবে আর কী বিষয়ে — এটুকু বললেই হয়। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি রাখুন।
-
২
অর্ডার কোড নিয়ে নিন
কর্মী এন্ট্রি করার সাথে সাথে একটি কোড দেবেন — যেমন ১৮৯০ দিয়ে শুরু হবে। এই কোডটিই পরে অবস্থা দেখার চাবি।
-
৩
নিজের মোবাইল নাম্বার দিন
কাজের অবস্থা বদলালে এই নাম্বারেই এসএমএস যাবে — তাই নিজের চালু নাম্বারটিই দিন।
-
৪
ঘরে বসে অবস্থা দেখুন
শুধু অর্ডার কোড দিয়ে এই পোর্টালে খুঁজলেই দেখবেন কাজ কোন ধাপে আছে।
-
৫
প্রিন্ট করা কাগজ সংগ্রহ করুন
অবস্থা “সম্পন্ন” দেখালে অফিসে গিয়ে প্রিন্ট করা চিঠি বা দরখাস্ত নিয়ে আসুন।
অবস্থার মানে কী
ট্র্যাক করলে তিনটি ধাপের একটি দেখবেন।
নতুন
আবেদন এন্ট্রি হয়েছে, লেখার কাজ শুরু হওয়ার অপেক্ষায় আছে।
চলমান
কর্মী চিঠিটি লিখছেন বা যাচাই করছেন।
সম্পন্ন
লেখা শেষ ও প্রিন্ট করা হয়েছে — অফিস থেকে নেওয়া যাবে।
সাধারণ প্রশ্ন
কোড ছাড়া অবস্থা দেখা যায় না। অফিসে ফোন করুন বা সরাসরি চলে আসুন — নাম, মোবাইল নাম্বার আর দাখিলের তারিখ বললে কর্মী কোডটি খুঁজে দেবেন।
প্রায় সবসময়ই কোডে টাইপ ভুল হয় — যেমন শূন্য আর ও, বা এক আর আই মিলে যায়। কাগজে লেখা কোডটি অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়ে আবার চেষ্টা করুন।
এখন যায় না — আবেদন অফিসে গিয়ে জমা দিতে হয়। অনলাইনে পাঠানোর ব্যবস্থা পরের ধাপে যোগ করা হবে।
না। এখানে শুধু কাজের অবস্থা দেখা যায়। চিঠির বক্তব্য বা সংযুক্ত কাগজ কেবল অফিস থেকেই পাবেন।
হয়, তবে প্রিন্ট হওয়ার আগে জানালে সহজ হয়। ভুল ধরা পড়লে দেরি না করে অফিসে জানান।
সেবা অনুযায়ী অফিস নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য। প্রতিটি সেবার পাতায় সময় ও ফির কথা লেখা আছে; নিশ্চিত হতে অফিসে জেনে নিন।